কাঁচা হলুদ খাওয়ার উপকারিতা
কাঁচা হলুদ খাওয়ার উপকারিতা অনেক। রান্নাঘরে হোক কিংবা ত্বক পরিচর্যায় আমাদের অন্যতম পরিচিতি একটি উপাদান হলো হলুদ। আমরা ছোট থেকে হলুদের গুনাগুন সম্পর্কে কম বেশি সকলে জানি।
শরীরের সমস্যা, ত্বকের সমস্যা, পেটের সমস্যা সবকিছুতে সমান ভাবে কাজ করে এই হলুদ। আপনি যদি কাঁচা হলুদের ব্যবহার সম্পর্কে জানতে চান তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য। আশা করি পোস্টটি পুরোপুরি বললে কাঁচা হলুদ খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে পুরোপুরি বুঝতে পারবেন।
সূচি পত্রঃ কাঁচা হলুদ খাওয়ার উপকারিতা
- কাঁচা হলুদ খাওয়ার উপকারিতা
- হলুদ কেন এত উপকারী
- লিভার পরিশুদ্ধ করে হলুদ
- টাইপ 2 Diabetes নিয়ন্ত্রণে রাখে হলুদ
- ক্যান্সার প্রতিরোধ করে হলুদ
- ওজন কমাতে সাহায্য করে হলুদ
- হজম ক্ষমতার উন্নতি করে হলুদ
- বাতের ব্যথা কমায় হলুদ
- সর্দি কাশি নিরাময় করতে হলুদ
- প্রাকৃতির জীবাণুনাশক হিসাবে কাজ করে হলুদ
- অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৃদ্ধি করে হলুদ
কাঁচা হলুদ খাওয়ার উপকারিতা
কাঁচা হলুদ খাওয়ার উপকারিতা অনেক। রান্নাঘরে হোক কিংবা ত্বক পরিচর্যায় আমাদের অন্যতম পরিচিতি একটি উপাদান হলো হলুদ। আমরা ছোট থেকে হলুদের গুনাগুন সম্পর্কে কম বেশি সকলে জানি। শরীরের সমস্যা, ত্বকের সমস্যা, পেটের সমস্যা সবকিছুতে সমান ভাবে কাজ করে এই হলুদ।
এছাড়াও বিভিন্ন অনুষ্ঠান কিংবা শুভ ক্ষেত্রে হলুদের ব্যবহার আমরা সকলেই জানি। তবে এবারে আমরা হলুদের উপকারিতা সম্পর্কে এমন কিছু জানাবো যেগুলো হয়তো আমাদের আগে জানা ছিল না। আর জানলেও সেটা হলুদের ভূমিকায় কি হতে পারে সেটা জানা নেই।
আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় শুরু থেকে বিভিন্ন ত্বক পরিচর্যাকারি ওষুধ তৈরি করতে কিংবা স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ তৈরি করতে হলুদের ব্যবহার হয়েই চলেছে। গবেষণায় দেখা গেছে হলুদের প্রচুর মাত্রায় Antioxidant ও Antiviral এবং Antibacterial উপাদান সমূহ রয়েছে।
এছাড়াও antifungal ও antidiabetic উপাদান সমূহ হলুদের গুনাগুন মাত্রা কে আরো কিছু বাড়িয়ে দিয়েছে। আমাদের মধ্যে সকালে হয়তো অনেকে কাঁচা হলুদ আর গুড় দিয়ে কিংবা কাঁচা হলুদের সঙ্গে মধু দিয়ে খেয়ে থাকে।হলুদ কে ভারতীয় জাফরান বা সোনার মসলা বলা হয়।
হলুদের বিজ্ঞান সম্মত নাম হলো Curcumalanga প্রায় আড়াই হাজার বছর ধরে হলুদের ব্যবহার হয়ে চলেছে। হলুদের সর্বাধিক শক্তিশালী উপাদান গুলি হল। Curcumin Curcuminoids এবং Essential oil যা আপনার স্বাস্থ্যের প্রতিটি কার্যকলাপ কে বাড়িয়ে তোলে। তা আপনার জয়েন্টের ব্যথার উপসংহার কিংবা ডায়াবেটিকের চিকিৎসা হোক না কেন। হলুদকে রোগ নিরাময়ীকারি উপাদান চিহ্নিত করা হয়েছে।
হলুদ কেন এত উপকারী
কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে iron, magnesium, Vitamin B 6 fibre,copper, potassium, ইত্যাদি উপাদান রয়েছে।
আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় হলুদ রাখার ফলে এটি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বারিয়া তুলতে সাহায্য করে। তবে নিয়মিত কাঁচা হলুদ খাওয়ার শুরু করার আগে বিস্তারিতভাবে হলুদের উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নেওয়া দরকার।
লিভার পরিশুদ্ধ করে হলুদ
আমাদের দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো লিভার। হলুদের মধ্যে থাকা এন্টি অক্সিডেন্ট উপাদান গুলি যেকোনো ধরনের লিভারের রোগের চিকিৎসা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গবেষণায় দেখা গেছে হলুদের মধ্যে থাকা Curcumin উপাদানটি লিভারকে সুরক্ষিত রাখতে পারে।
আরও পরুনঃ আদা চা খাওয়ার উপকারিতা
Curcumin মূলত alcohol যুক্ত ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।এছাড়াও এর মধ্যে থাকা এন্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদানগুলো যেকোনো ধরনের খাবার থেকে হওয়া সংক্রমণকে আটকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে লিভারের রোগ আমাদের ধারের কাছেও পারে না।
এছাড়াও হলুদের মধ্যে থাকা উপাদান গুলো লিভারের মধ্যে জমে থাকা টক্সিন পদার্থ গুলোকে বের করে দিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ফলে লিভারের ক্ষতি হওয়া সম্ভাবনা অনেকটাই কমে আসে।
টাইপ 2 Diabetes নিয়ন্ত্রণে রাখে হলুদ
রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো হলুদ। গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন যারা সকালবেলা খালি পেটে কাঁচা হলুদ খেয়ে থাকেন তাদের দেহের ভেতরে এমন কিছু উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে যার প্রভাবে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে ইনসুলিনের কর্ম ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
ফলের রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। তাই বলা যেতে পারে ডায়াবেটিসের মতো মারান রোগে আক্রান্ত হতে যদি না চান তাহলে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে অবশ্যই কাঁচা হলুদ খেতে হবে। হলুদের থাকা কারকিউমিন এন্টি ডায়াবেটিকস এজেন্ট হিসাবে কাজ করে।
Curcumin রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কে কম করার পাশাপাশি রক্তের মধ্যে উপস্থিত ফ্যাটের পরিমাণকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। Curcumin অগ্নাশয়ের ভিটা সেল গুলোর কার্যকারিতা গুলোকে উন্নত করে। ইনসুলিন তৈরি করে যা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা কে নিয়ন্ত্রণ করে।
ক্যান্সার প্রতিরোধ করে হলুদ
কোলন, পেট , এবং ত্বকের ক্যান্সারের মতো রোগ নিরাময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে হলুদ। এর মধ্যে থাকা প্রতিরক্ষা মূলক উপাদানগুলো ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কম করতে পারে। এবং ক্যান্সারে বিস্তারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারি।
আরও পরুনঃ চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা
গবেষণায় দেখা গিয়েছে যারা দৈনিক কাঁচা হলুদ খান তাদের বিভিন্ন রকম ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়। এছাড়াও ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি বন্ধ করে শরীরকে সুস্থ রাখতে পারে হলুদ। হলুদের মধ্যে থাকা Curcumin যেকোনো প্রদাহের সাথে লড়াই করে শরীরকে প্রদাহ মুক্ত করে।
ওজন কমাতে সাহায্য করে হলুদ
বর্তমান সময়ের দেহের অতিরিক্ত ওজন নিয়ে আমাদের মধ্যে অনেকেই সমস্যায় রয়েছে। তবে একটা সামান্য উপাদান দৈনন্দিন গ্রহণের ফলে আপনি আপনার ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন। কাঁচা হলুদের মধ্যে থাকা Antiobesity উপাদান গুলো শরীরের বাড়তি মেদ জমতে দেয় না।
এবং দেহের মেটাবলিজম এর হার বাড়িয়ে দেয়। ফলে শরীরে বাড়তি মেদ জমার সম্ভাবনা কমে যায়। হলুদের মধ্যে থাকা Curcumin শরীরে ফ্যাট সংরক্ষণকারি কোষগুলি উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি করে। এবং বিপাকীয় প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। যথাযথ ডায়েট এবং ব্যায়ামের মাধ্যমে ওজন কম করার পাশাপাশি খাদ্য তালিকায় দৈনিক হলুদ রাখার খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
হৃদ যন্ত্র কে প্রদান করে হলুদ। সারা বিশ্বব্যাপী প্রায়ই 31% মানুষ হৃদরোগের কারণে মারা যায়। হলুদের থাকা Curcumin হৃদ রোগ প্রতিরোধ করে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে উচ্চ রক্তচাপের কারণে হৃদরোগের মতো সমস্যাগুলিকে প্রতিরোধ করতে পারে হলুদ।
এছাড়া হলুদ দেহের খারাপ cholesterol এর মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। আর নিয়মিত কাঁচা হলুদ খেলে স্ট্রোকের সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়। এছাড়াও কাঁচা হলুদ আপনার হৃদযন্ত্রকে বিভিন্ন ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। তাই সুস্থ থাকতে হলে আপনার খাদ্য তালিকায় কাঁচা হলুদ রাখার চেষ্টা করুন।
হজম ক্ষমতার উন্নতি করে হলুদ
গবেষণায় দেখা গেছে যারা নিয়মিত কাঁচা হলুদ খায় তাদের ক্ষেত্রে হজমে সহায়ক পাচক রসের ক্ষমতা কমে যায়। সেই সঙ্গে গ্যাস, অম্বল , এবং এসিডিটির মতো সমস্যা কমতে থাকে। এছাড়া হলুদ হজমের উন্নতি ঘটিয়ে প্রদাহ জনিত পেটের রোগ, লিভারের রোগ, এবং ডায়রিয়ার সমস্যা সমাধান করতে পারে।
আরও পরুনঃ তুলসী পাতার উপকারিতা ও অপকারিতা
এছাড়া হলুদের মধ্যে থাকা উপাদান গুলি গ্যাস্ট্রিক আলসারের প্রভাব কাম করতে পারে। তাই হজম ক্ষমতায় উন্নতি করতে চাইলে নিয়মিত কাঁচা হলুদ খাওয়া দরকার।
বাতের ব্যথা কমায় হলুদ
যেকোনো ধরনের ব্যথা কমাতে হলুদের ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে বাতের ব্যথা, হাঁটুর ব্যথা যেকোনো ধরনের পেষী ব্যথা গুলোর ক্ষেত্রে হলুদের ব্যবহার করা হয়ে থাকে। হলুদের মধ্যে থাকা Anti inflammatory উপাদান গুলো শরীরের ভেতর থেকে ব্যথা নিরাময় সহায়তা করে।
গবেষণায় লক্ষ করা গিয়েছে হলুদের মধ্যে থাকা Curcumin ও Curcuminoids যেকোনো ধরনের প্রদাহকে কম করতে সহায়তা করে। এছাড়া আর্থাইটিস ও হৃদ যন্ত্রের সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের ক্ষেত্রে হলুদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
হলুদ রক্তে অক্সিজেন তৈরি করে যা শরীরের বিভিন্ন কোষে পৌঁছে এবং শরীরের যেখানে যেখানে ব্যথার সৃষ্টি হয় সেখানে সঠিক রক্ত সঞ্চালনের ফলে রক্ত চলাচল সঠিক ভাবে হয়। এবং যেকোনো ধরনের ব্যথা বা ফুলে যাওয়ার মত সমস্যাগুলি সমাধান হয়।
সর্দি কাশি নিরাময় করতে হলুদ
বর্তমানে ঋতু পরিবর্তনের সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হল সর্দি কাশি। ছোট থেকে বড় প্রায় সব ঘরেই এই সমস্যা লেগেই রয়েছে। কারো কারো আবার এলার্জির কারণে বা জ্বরের মতো সমস্যার কারণে সর্দি হয়ে থাকে। তবে এই সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যায় হলুদের সহায়তায়।
আরও পরুনঃ গাজর খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা
হলুদ সর্দি কাশি কমাতে সহায়তা করে। এছাড়াও কাঁচা হলুদ অনাক্রমতা বাড়াতে সাহায্য করে যা সর্দি কাশির মতো রোগ গুলোকে দূরে রাখে।
কাঁচা হলুদে ঢাকা ভিটামিন সি সর্দি কাশি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়া হাঁপানি, ব্রণ কাইটিসের মতন সমস্যা জনিত গুলি কমাতে সাহায্য করে হলুদ। তাই সুস্থ থাকতে হলে সকালে খালি পেটে কাঁচা হলুদ খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।
প্রাকৃতির জীবাণুনাশক হিসাবে কাজ করে হলুদ
হলুদের মধ্যে থাকা এন্টি ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্যটি যেকোনো ধরনের ব্যাকটেরিয়াকে সহজে ধ্বংস করে দিতে পারে। তাই বিভিন্ন পেটের অসুখ কিংবা ত্বকের রোগের ক্ষেত্রে হলুদের ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খাবারের মাধ্যমে পেটে যদি কোন জীবাণুর সংক্রমণ হয় সে ক্ষেত্রে কাঁচা হলুদ গুড় বা মধু দিয়ে খেলে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হয়। তাই নিয়মিত সকাল বেলা খালি পেটে কাঁচা হলুদ খাওয়া দরকার।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৃদ্ধি করে হলুদ
হলুদ শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান গুলো বৃদ্ধি করে যা শরীরকে এন্টিমিয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। মূলত মেয়েদের ক্ষেত্রে এন্টিমিয়া হওয়া প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। টাইম মেয়েদের প্রতিদিন কাঁচা হলুদ খাওয়ার প্রয়োজন। এছাড়াও হলুদ লোহিত রক্ত কণিকা কে রক্ষা করে। এবং দেহের আয়রনের ঘড়টি মেটাই।
এছাড়া হলুদের মধ্যে থাকা anti inflammatory উপাদান গুলো যে কোন ধরনের পিরিয়ডের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেয়। পিরিয়ডের পূর্ববর্তী সময় ও পিরিয়ড চলাকালীন যেই সমস্যাগুলো লক্ষ্য করা যায় সেগুলি কমাতে সহায়তা করে হলুদ। তাই আমরা বুঝতেই পারছি হলুদের প্রচুর উপকারিতা। তাই সুস্থ থাকতে সকালে খালি পেটে কাঁচা হলুদ খাওয়া শুরু করুন।
শেষ কথা: কাঁচা হলুদ খাওয়ার উপকারিতা
উপরের পোস্টে যদি পুরোপুরি পড়ে থাকেন তাহলে এতক্ষণ বুঝে গেছেন কাঁচা হলুদ খাওয়ার উপকারিতা কি কি। এছাড়াও হলুদ কিভাবে লিভার পরিশুদ্ধ করে এবং টাইপ টু ডায়াবেটিস কমাতে কিভাবে সহায়তা করে জানানোর চেষ্টা করেছি। এছাড়াও হলুদ কিভাবে ক্যান্সার প্রতিরোধ করে শরীরের ওজন কমাতে কিভাবে সাহায্য করে জেনেছেন।
আরো জানাতে চেষ্টা করেছি কিভাবে হজম ক্ষমতার উন্নয়ন সাধন করে এবং সর্দি কাশি কমায়। এছাড়াও হলুদ প্রাকৃতিক জীবনের অসুখ হিসেবে কাজ করে। কাঁচা হলুদ খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে অনেক কিছু জানার চেষ্টা করেছি যদি পুরোটা পড়ে থাকেন তাহলে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন।
আমাদের পোস্টটি পড়ে যদি ভালো লাগে তাহলে আরো নতুন নতুন পোস্টে লিখতে গুছাইতে হবে। আপনাদের ভালো লাগাই আরো নতুন নতুন ইনফরমেশন পোস্ট লিখতে উৎসাহিত হব। পরবর্তীতে আরো নতুন পোস্ট পেতে চোখ রাখুন আমাদের ওয়েবসাইট কিছুক্ষণ ডট কম এ।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url