অলিভ অয়েল তেলের উপকারিতা কি
আজকে যে টপিক নিয়ে আলোচনা করব সেটা হচ্ছে অলিভ অয়েল তেল। বর্তমান সময়ে অলিভ অয়েল তেল সবার কাছে সুপরিচিত। অলিভ অয়েল তেল ব্যবহার করা সুন্নত। বর্তমান সময়ে যারা তেল ব্যবহার করে তাদের মধ্যে ৬০% লোক অলিভ অয়েল তেল ব্যবহার করে।
অলিভ অয়েল তেলের উপকারিতা কি এর উপকারিতা সম্পর্কে জানতে নিজের কনটেন্টি পুরোপুরি পড়ুন।অলিভ অয়েল তেল শুধু বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য নয় এটি রান্নার কাজে এবং ত্বকের যত্নে ব্যবহার হয়ে থাকে।
সূচি পত্রঃ অলিভ অয়েল তেলের উপকারিতা কি
- অলিভ অয়েল তেলের উপকারিতা কি
- শরীল ও চুলের যত্নে অলিভ অয়েল
- ত্বকের যত্নে অলিভ অয়েল
- এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল খাওয়ার উপকারিতা
- বাজারে পাবেন যেসব অলিভ অয়েল
- শেষ কথা
অলিভ অয়েল তেলের উপকারিতা কি
রান্না করার জন্য বাজারে যেসব তেল কিনতে পাওয়া যায় তার মধ্যে অলিভ অয়েল সবচাইতে উপকারী। অলিভ অয়েলে রয়েছে স্কিন ক্যান্সার এবং আলট্রা ভায়োলেট রেডিয়েশন থেকে মানুষকে রক্ষা করে এমন সব উপাদান। আর রয়েছে ভিটামিন সি যা ত্বকের ইনফেকশন ও অন্যান্য ক্ষত সারাতে ভূমিকা রাখে।
আরও পরুনঃ এলাচ খাওয়ার উপকারিতা ও নিয়ম
প্রতিদিন ত্বকে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মাখলে ত্বক হয়ে ওঠে মসৃণ ও লাবণ্যময়। প্রতিদিন রান্নায় কিংবা খালি পেটে এক চা চামচ অলিভ অয়েল খেতে পারলে মিলবে অনেক উপকার। অলিভ অয়েল খেলে শরীরের যে ব্যাড কোলেস্টেরল আছে তার পরিমাণ কমিয়ে দেয় এই অলিভ অয়েল।
শরীল ও চুলের যত্নে অলিভ অয়েল
আমরা কমবেশি সকলেই অলিভ অয়েল চিনি এটা রান্নার কাজে ব্যবহার হয়। বডি মাস্টারাইস করতে ব্যবহার করা হয়। অলিভ অয়েল আমাদের ত্বকে অ্যান্টি রিংকেলস এবং এন্টি এজিন এর কাজ করে থাকে। আমাদের ত্বকের নতুন সেল গঠন করতে সাহায্য করে অলিভ অয়েল তেল।
অলিভ অয়েল তেল আমাদের বডির জন্য অনেক উপকারী এটা স্ক্রিনে ব্যবহার করলে যেমন স্কিন মাস্টারাইজড হয় তেমনি দেহের অন্যান্য স্থানগুলো কোমল হয়। অলিভ অয়েল তেলের ভিতরে রয়েছে ভিটামিন ই যা আমাদের বডিতে মস্তেরাইজ ধরে রাখতে সাহায্য করে।
এই তেল চুলে ব্যবহার করলে চুল পড়া বন্ধ হবে এবং চুলের গোড়া মজবুত হবে। এবং যাদের চুলের উজ্জ্বলতা হারিয়ে গেছে দেখলেই নিষ্প্রাণ মনে হয় এদের ব্যবহারে তাদের চুলের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরে আসবে। এই তেল হালকা গরম করে চুলের গোড়ায় মেসেজ করলে ব্লাড সার্কুলেশন বাড়বে এবং নতুন চুল গজাবে।
ত্বকের যত্নে অলিভ অয়েল
তোকে সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং বয়সের ছাপ কমাতে অলিভ অয়েল অনেক কার্যকরী ভূমিকা রাখে। কারণ অলিভ অলি রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ডি, ভিটামিন এ, এবং ভিটামিন ই। যা ত্বকের কোলাজেন স্তর ঠিক রাখে। ফলে ত্বকে বয়সের ছাপ কমে।
অলিভয়েলে থাকা ভিটামিন ই চোখের নিচের কালো দাগ ত্বকের ছোপ ছোপ কালো দাগ দূর করতে জোকারি ভূমিকা রাখে।হাসান জেনে নেই ত্বকে কিভাবে অলিভ অয়েল ব্যবহার করবেন। যদি তোকে ব্রণ থাকে অলিভ অয়েল কেন কোন ধরনের তেল ব্যবহার করা যাবে না।
আরও পরুনঃ নিয়মিত কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা ও ক্ষতিকর দিক
ঠোঁট ফাটা এবং পা ফাটার ক্ষেত্রে অলিবলের সাথে সামান্য গ্লিসারিন মিশিয়ে ব্যবহার করুন। এতে খুব ভালো ফল পাবেন। যারা নিয়মিত তকে মেকআপ করেন তারা মেকআপ পরিস্কার করার জন্য অলিভ অয়েল তেল ব্যবহার করতে পারেন। এতে যাদের ত্বকের চামড়া ওঠা এবং ড্রাইনেসের সমস্যা আছে সেটা থেকে রেহাই পেতে পারেন।
সপ্তাহে কমপক্ষে একদিন পুরো মুখে অলিভ অয়েল তেল দিয়ে পাঁচ মিনিট মাসাজ করুন। এতে ত্বকের সঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে এবং ত্বক উজ্জ্বল,টানটান এবং গ্লেসি হবে। এই তেল। ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন অরিজিনাল তেলটি ব্যবহার করার
এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল খাওয়ার উপকারিতা
এক্সট্রা ভার্জিন বলতে সাধারণত বোঝাই অলিভ থেকে হঠাৎ জলপাই থেকে ছুরি এটা আমরা পাই সেটাকে বলে এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল। এটা কোন প্রকার রিপেয়ারিং ছাড়া সরাসরি আমরা পাই এ তেলটা সচারাচার রান্নার কাজে ব্যবহার হয়।
আরও পরুনঃ ভিটামিন কি এবং কেন ভিটামিন খাবেন
এক্সট্রা ভার্জিন অয়েল শুধু আপনি রান্নার কাজে ব্যবহার করতে পারবেন সেটা না আপনি চাইলে এটা সরাসরি খেতেও পারবেন। আমাদের হৃদ যন্ত্র কে রক্ষা করে এই এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল। এটি আমাদের রক্তনালীর প্রদাহ কমায়। এবং খারাপ এলডিএল কমাতে সাহায্য করে।
আমরা সাধারণ রান্নাই যে তেল ব্যবহার করি সেই তেলের জায়গায় যদি এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল তেল ব্যবহার করি। তাহলে আমাদের শরীরে ৪০% স্টোকের ঝুঁকি কমে যাবে। প্রতিদিন দু এক চামচ অলিভ অয়েল খেলে মা রান্নার কাজে অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে এটি আমাদের ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখে।
বাজারে পাবেন যেসব অলিভ অয়েল
বাজারে বেশ কয়েক ধরনের অলিভ অয়েল আপনি পাবেন। তবে আপনি কোনটি কিনবেন সেটা নির্ভর করবে আপনার ব্যবহারের উপরে। আপনি কি রান্নার কাজে ব্যবহার করবেন নাকি খাবার কাজে ব্যবহার করবেন নাকি ত্বক ও চুলে ব্যবহারের জন্য কিনবেন। বাজারে কয়েক ধরনের অলিভ অয়েল তেল পাওয়া যায়।
extra virgin -এটা তেলের প্রথম ধাপ। কোনরকম রিফাইন ছাড়া।
virgin -এটা দ্বিতীয় ধাপ। ১ থেকে ২% এসিড দ্বারা রিফাইন হয়।
refine pure -এটা তৃতীয় ধাপ। তিন থেকে চার পার্সেন্ট এসির দ্বারা রিফাইন হয়।
শেষ কথাঃ অলিভ অয়েল তেলের উপকারিতা কি
উপরের কনটেন্টে পুরোপুরি পড়লে আশা করি বুঝতে পেরেছেন অলিভ অয়েল তেলের উপকারিতা কি। আরো জানতে পেরেছেন শরীর ও চুলের যত্নে অলিভ অয়েল কি ধরনের ভূমিকা রাখে। এছাড়াও ত্বকের যত্নে অলিভ অয়েল কিভাবে ব্যবহার করা হয় তা জানানোর চেষ্টা করেছি।
আরও পরুনঃ জিরা খাওয়ার উপকারিতা ও নিয়ম
আরো জানানোর চেষ্টা করেছি এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল খাওয়ার উপকারিতা গুলো কি কি। এবং বাজারে কি কি ধরনের অলিভ অয়েল পাবেন। পরিশেষে আমরা বলতে পারি অলিভ অয়েল তেলের উপকারিতা অনেক এটা রান্নার কাজে, রূপচর্চায় এবং চাইলে আপনি খালি ও খেতে পারেন এছাড়াও
ছোট বাচ্চাদের শরীর সরিষার তেলের পরিবর্তে অলিভ অয়েল তেল দিয়ে মালিশ করা অনেক ভালো। আশা করি বুঝতে পেরেছেন অলিভ অয়েল তেল ব্যবহারের উপকারিতা কি এবং কিভাবে ব্যবহার করবেন। এরকম আরো নতুন নতুন ইনফরমেটিভ পোস্ট পেতে ভিজিট করুন প্রতিদিন আমাদের ওয়েবসাইট কিছুক্ষণ ডটকম এ।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url