এলাচ খাওয়ার উপকারিতা ও নিয়ম
অতি প্রাচীনকাল থেকে হেলাস মসলা হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। এলাচ ছাড়া যেন বিয়ে বাড়ি কিংবা অনুষ্ঠান অথবা বাড়ির রান্না সম্পূর্ণ হয় না। মসলা হিসেবে এলার্জির যেমন খ্যাতি তেমনি অনেক রোগ সারাতেও এলাচ আয়ুর্বেদিক দাবা হিসেবে ব্যবহার হয়।
আপনারা যারা এলাচ খাওয়ার কথা ভাবছেন কিন্তু জানেন না কিভাবে খাবেন কোন নিয়মে খাবেন এবং কতটুকু খাবেন। এলাচ খাওয়ার উপকারিতা ও নিয়ম সম্পর্কে জানতে নিচের পোস্টটি পুরোপুরি করুন আশা করি সবকিছুই পরিষ্কার হয়ে যাবে।
সূচি পত্র ঃ এলাচ খাওয়ার উপকারিতা ও নিয়ম
- এলাচ খাওয়ার উপকারিতা ও নিয়ম
- হজম প্রক্রিয়া ভালো রাখে এলাচ
- এলাচের মধ্যে Antiemetic property রয়েছে
- reduce anti inflammatory condition
- reach in antioxidant
- ত্বকের সমস্যা দূর করতে এলাচ
- antitussive এবং mucolytic
- maintain blood sugar
- ব্লাড প্রেসার ঠিক রাখে
- ইমপ্রুভ আয়রন লেভেল
- ইম্প্রুভ হার্ট হেলথ
- এলাচ খাওয়ার সঠিক নিয়ম
- অতিরিক্ত এলাচ খেলে যে সমস্যা হয়
এলাচ খাওয়ার উপকারিতা ও নিয়ম
চায়ের কাপ হোক বা পায়েসের বাটি বিরিয়ানির প্লেট হোক বা প্রত্যেকটি মিষ্টির বাইটে। যদি আমরা এলাচের গন্ধ না পাই কেমন যেন একটা অসম্পূর্ণ বলে মনে হয়। এই খাবারগুলোতে এই এলাচের গন্ধ পছন্দ করেন না এমন মানুষ প্রায় নেই বললেই চলে। কারণ এলাচ এমন এক ধরনের খাবার বা এমন এক ধরনের মসলা।
যেটি শুধুমাত্র আমরা এর সৌগন্ধের জন্য ব্যবহার করে থাকি।।প্রতিদিন মাত্র দুটো করে এলাচ যদি আপনি সঠিক সময়েএবং য সঠিক নিয়ম মেনে খেতে পারেন। তাহলে আপনার শরীরে এমন কিছু প্রকার আপনি পেতে পারেন। যেগুলো আপনারা আগে কখনো স্বপ্নেও কল্পনা করেননি।যদি আপনাকে প্রশ্ন করি আপনি কি এলাচ ব্যবহার করেন। উত্তর হবে হ্যাঁ অবশ্যই।
আরও পড়ুন ঃ রসুন খাওয়ার উপকারিতা ও নিয়ম
কিন্তু যদি আপনাকে বলি আপনি কি এলাচ খান। কোনরকম উত্তর পাওয়া যাবে না। কারণ এলাচকে আমাদের খাবারের স্বাদ ও গন্ধবৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করি ঠিকই কিন্তু পাতে গোটা এলাচ দেখলে আমরা সাথে সাথে ফেলেদি খাইনা। কারণ প্রায় 199% মানষ এলাচের স্বাস্থ্য গুণ সম্পর্কে একদমই জানে না।
হজম প্রক্রিয়া ভালো রাখে এলাচ
যাদের হজমের সমস্যা আছে, খাবার খাওয়ার পরই ঠিকঠাক হজম হয় না। তাদের জন্য এলাচ একটি মহা ওষুধের মত কাজ করে। কারণ যাদের গ্যাস, এসিডিটি এবং ইনডাইযেশন কন্সটিপিশানের মত সমস্যা আছে তারা যদি প্রতিদিন দুটি করে এলাচ খায় সে ক্ষেত্রে কিন্তু এলাচ খাওয়ার পর পেটের ভিতরে যাওয়ার পর সেই এলাচ থেকে cardamom oil রিলিজ হয়।
আর এই cardamom oil পেটের মধ্যে যে গ্যাস জমে, পেট ফুলে যায়, বদহজমের সমস্যা হয়, এই ধরনের সমস্যাকে খুব দ্রুত ক্লিয়ার করে দিতে সাহায্য করে। বিশেষ করে যাদের পেটে গ্যাস জমে পেট ভীষণ ভাবে ফুলে যায় গ্যাস পাস হয় না। সমস্ত ক্ষেত্রে কিন্তু এলাচ খুব ভালো কাজ করে।
এলাচের মধ্যে Antiemetic property রয়েছে
যাদের nasua এবং vomiting এর ধাত আছে। অনেকের দেখবেন যে সকালে ওঠার পর গা গুলায়, বমি বমি ভাব হয়,অনেকে বমি করে ফেলে বা যাদের ক্ষেত্রে প্রেগনেন্সি আছে তাদের ক্ষেত্রেও nasua vomiting এর সমস্যা থাকে। এমনকি যখন আপনি কোন একটিভ ডিজিস বা রোগে ভুগছেন।
আরও পড়ুন ঃ নিয়মিত লবঙ্গ খাওয়ার উপকারিতা
তখনো কিন্তু বমি বমি ভাব থাকে, বমি হতে দেখা যায়, মুখের মধ্যে তিতো ভাব, ক্ষুধামান্দার সমস্যা থাকে। এই সমস্ত সমস্যার ক্ষেত্রে কিন্তু খুব ভালো কাজ দেয় এলাচ। কারণ এলাচ খাওয়ার ফলে কিন্তু, যখন বমি বমি ভাব হয় তখন এই সমস্যা দ্রুত ক্লিয়ার হতে দেখা যায়। এবং রোগ জনিত কারণে যে ক্ষুধা মন্দার সমস্যা থাকে সেটাও কিন্তু সুন্দরভাবে কমে যেতে দেখা যায়।
reduce anti inflammatory condition
কালাচের মধ্যে এন্টি ইনফ্লেমেটরি প্রোপারটি থাকে। এই কারণে আমাদের পেটের ভিতর যে গ্যাস জনিত কারণে বা হাইপার এসিডিটির কারণে যে আলসারের সমস্যা থাকে । এই জায়গায় যে ইনফ্লামেশন বা প্রদাহ হয় বা আমাদের অন্ত্রের যেসব রোগগুলো থাকে।
সেই কারণে যদি ইনফ্লামেশন বা প্রদাহ হয়- যেমন আই বি এস অর্থাৎ Irritable bowelsyndrome বা আলসারাইটিভ কোলইর্টিস্ট বা নরমাল কোলাইটিসের ক্ষেত্রেও প্রদাহ হতে দেখা যায়। এই সমস্ত সমস্যার ক্ষেত্রে কিন্তু এলাচ অনেক উপকার করে থাকে।
reach in antioxidant
এলাচের মধ্যে ভরপুর মাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুলো কিন্তু ক্ষুধামন্দর সমস্যাকে দ্রুত দূর করতে সাহায্য করে।
যাদের ক্ষুধা থাকেনা শরীরে ক্লান্তি, দুর্বলতা, অলসতা কাজ করে এই ক্ষুধা মন্দার জন্য তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু এলাচ খুব ভালো কাজে দেবে।কারণ এটা দ্রুত ক্ষুধা বাড়াতে সাহায্য করে।
ত্বকের সমস্যা দূর করতে এলাচ
যাদের স্ক্রীনের নানা রকম সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রেও কিন্তু এলাচ খুব ভালো কাজ দেয়। কারণ এর মধ্যে বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কিন্তু অক্সিডেটিভস ট্রেস গুলোকে যেমন ক্লিয়ার করতে সাহায্য করে। তেমন আমাদের শরীরে এসব ফ্রিরেডিক্যালস গুলো ঘোরাফেরা করে।
আরও পড়ুন ঃ জিরা খাওয়ার উপকারিতা ও নিয়ম
যে গুলোর কারণে আমাদের স্কিনে নানা রকম সমস্যা হয়। দাগ ছোপ, ফোড়া, ফুসকুড়ি, ব্রণ, অল্প বয়সে বয়সের ছাপ পড়ে যায়, মুখের দাগ ছক পড়ে যাওয়া, এইসব সমস্যা থেকে কিন্তু সম্পূর্ণভাবে মুক্তি দেয় মাত্র দুটি করে যদি আপনি প্রতিদিন এলাচ সেবন করতে পারেন।
antitussive এবং mucolytic
যাদের ক্ষেত্রে ফুসফুসে কফ জমে থাকে বা সেলেসা জমে থাকে। সেগুলো গাঢ় অবস্থায় বসে থাকে ক্লিয়ার হতে চায় না বারবার কাশি হয়। বা গলার মধ্যে কফ জমে থাকে এই কফগুলোকে কিন্তু পাতলা করে বাইরে বের করে দিতে সাহায্য করে এলাচ। এছাড়া যাদের মধ্যে ক্রনিক ইনফ্লামেশন থাকে, এলার্জির সমস্যা থাকে, তাদের ক্ষেত্রেও কিন্তু এলাচ খুব অনেক উপকার করে থাকে।
maintain blood sugar
যাদের খুব অধিক সুগারের সমস্যা আছে অর্থাৎ রক্তের মধ্যে সুগার লেভেল খুব হাই থাকে তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু এলাচ খুব ভালো কাজ দেয়। কারণ এলাচের মধ্যে ভরপুর মাত্রায় magnesium থাকে। এই ম্যাগনেসিয়াম সুগার রোগীদের একটি প্রয়োজনীয় উপাদান। ম্যাগনেসিয়াম এর পরিমান যদি আমাদের শরীরে বাড়ে সে ক্ষেত্রে কিন্তু সুগার লেভেল ধীরে ধীরে কমে যেতে দেখা যায়।
বা যারা prediabetic পেশেন্ট আছেন তাদের জন্য রাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রতিদিন যদি এলাচ সেবন করতে পারেন। প্রিডায়াবেটিক থেকে আপনাকে ডায়াবেটিক পর্যায়ে যেতে দেবে না এটি যদি আপনারা প্রতিদিন সঠিক নিয়মে সেবন করতে পারেন।
ব্লাড প্রেসার ঠিক রাখে
যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আছে বা হাই ব্লাড প্রেসার এর সমস্যা আছে তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু প্রতিদিন এলাচ সেবন করা উচিত। কারণ এলাচ এর মধ্যে ভরপুর মাত্রায় পটাশিয়াম থাকে। এই পটাশিয়াম কিন্তু আমাদের রক্তের চাপ কে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
তারা দীর্ঘকালীন হাই ব্লাড প্রেসারে ভুগছেন এবং ব্লাড প্রেসার এর জন্য বিভিন্ন রকমের মেডিসিন খাচ্ছেন। সেই মেডিসিনের পরিমাণ কে কমাতে সাহায্য করে এবং যদি সঠিক নিয়মে এমন করতে পারেন একটা সময় এলাচ সেবনের ফলেই কিন্তু আপনার এই ব্লাড প্রেসারের মেডিসিনটিও বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
ইমপ্রুভ আয়রন লেভেল
যাদের শরীরে আয়রনের ঘাটতি আছে, অ্যানিমিয়ার সমস্যা আছে, তাদের জন্য এলাচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তারা ডেইলি আজ সেবন করবেন কারণ এলাচের মধ্যে ভরপুর মাথায় আইরন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এগুলো খুব প্রেজেন্ট থাকে।
এবং তার সঙ্গে ভিটামিন সি, রাইবোফ্লাবিন, এবং নিয়াসিন অর্পুর মাত্রায় থাকে। এতগুলো উপকার কিন্তু এলাচের মধ্যে থাকে যা সেবনের ফলে আমাদের শরীরে এই ফুল বেনিফিট গুলো পাওয়া যায়।
ইম্প্রুভ হার্ট হেলথ
হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য এবং হার্ট রিলেটেড যে রোগ গুলো আছে সেগুলোর অন্য কিন্তু এলাচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের হার্টের যে রোগ গুলো হয়, এবং হার্ট সম্বন্ধীয় আনুষঙ্গিক যে রোগ গুলো হয়, সেগুলো কিন্তু আমাদের রক্তের মধ্যে লিপিডসের হেরফের তার জন্য হয়ে থাকে।
অর্থাৎ আমাদের রক্তের মধ্যে বিভিন্ন রকম চর্বি বস্তু থাকে যেগুলো বেড়ে যাওয়ার কারণে হাটের উপর প্রেসার সৃষ্টি হয়। আর এই কারণে অনেক সময় আবার আমাদের রক্তনালীর মধ্যে ব্ল্যাক তৈরি হয়। এতে কিন্তু আমাদের হাটের নানা রকম রোগ হয়। এবং মারাত্মক যেই হার্ট ডিজিজ গুলো আছে সেগুলো হতে দেখা যায়।
আরও পড়ুন ঃ গোল মরিচের উপকারিতা
আমাদের রক্তের মধ্যে এইচ ডি এল কোলেস্টরেল আছে যেটাকে ভালো কোলেস্টরেল বলে। এটা আমাদের শরীরে উপকার করে। আমাদের শরীরের খারাপ কোলেস্টরেল মাত্রাকে কমাতে সাহায্য করে। অর্থাৎ এল ডি এল কলেস্টরেল এর মাত্রাকে কমাতে সাহায্য করে।
যদি নিয়মিত আপনারা এলাচ সেবন করতে পারেন এই এল ডি এল কোলেস্টেরলের মাত্রা ধীরে ধীরে কমতে থাকে রক্তের মধ্যে ব্ল্যাক হতে দেয় না। তাই আমাদের হার্টের স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং হার্টের সম্বন্ধীয় যে রোগভোগ গুলো আছে। সেগুলো থেকে কিন্তু আমরা মুক্তি পেতে পারি যদি নিয়মিত এলাচ সেবন করি।
men health
পুরুষদের ক্ষেত্রে বিবাহিক জীবনে কিছু দুর্বলতা আছে, এই দুর্বলতা গুলোকে রোধ করার জন্য এলাচ খুব ভালো ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন রাতে দুটি করে এলাচ খেয়ে যদি গরম পানি সেবন করা যায় আমাদের শরীরের নানাবিদ উপকার হয়ে থাকে।
এলাচ খাওয়ার সঠিক নিয়ম
প্রতিদিন আপনারা দুটি করে অবশ্যই এলাচ সেবন করতে পারেন, যদি নরমালি আপনারা সেবন করেন খাওয়ার আধা ঘন্টা আগে বা পরে। দুটি গোটা এলাচ নিবেন এবং সেটাকে চিবিয়ে চুষে খেয়ে নিতে পারেন। সব থেকে ভালো হয় যদি রাতে দুটি এলাচকে চিবিয়ে খেয়ে গ্লাস কুসুম কুসুম গরম পানি খেয়ে নিতে পারেন।
এবং আমাদের যেই সমস্যা গুলো হয়ে থাকে যেমন সর্দি কাশির এলার্জির সমস্যা সাইনোসাইটিস ফুসফুসের মধ্যে কফ জমে থাকা। এই সমস্ত সমস্যার ক্ষেত্রে যদি মৃদু উষ্ণ এক গ্লাস গরম দুধের সঙ্গে দুটি এলাচ কে সেবন করতে পারেন।সে ক্ষেত্রে খুব ভালো উপকার পাবেন বা সকালের দিকে আপনি আদা দিয়ে
আরও পড়ুন ঃ ভিটামিন কি এবং কেন ভিটামিন খাবেন
লিকার চা তৈরি করে তার মধ্যে যদি দুটি আজকে থেঁতো করে দিয়ে সেটা সেবন করতে পারেন তাতেও কিন্তু আপনারা অনেক উপকার পেতে পারেন।এলাচ কে কখনো ফেলে দিবেন না এলাচকে সব সময় চিবিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করবেন। কারণ এর মধ্যে নানা রকম হেলথ বেনিফিট রয়েছে যে গুলো থেকে আপনারা অনেক উপকার পাবেন।
অতিরিক্ত এলাচ খেলে যে সমস্যা হয়
অনেক সময় বলা হয়ে থাকে সকাল বেলা খালি পেটে এলাচ চিবিয়ে খেতে। তবে আপনার যদি কিডনিতে স্টোন এর মত সমস্যা থেকে থাকে। অথবা কিডনি গলব্লাডারে কোনরকম সমস্যা থাকে। তাহলে এলাচ আপনার জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক। এ ধরনের রোগীদেরকে চিকিৎসকেরা এলাচ খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন না।
বিশেষ করে কাচা এলাচ তো মোটেও খাওয়া যাবে না। এলাচের বীজ শরীরের পাথর বাড়াতে পারে। অতএব এটি গ্রহণের আগে আপনাকে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। আপনি যদি রান্নায় এলাচ খেতে চান তাহলে খুবই কম পরিমাণে এলাচ ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনে বিষ ছাড়িয়ে শুধু মাত্র খোসা দিয়ে রান্না করলে সুগন্ধ পেতে পারবেন আর ক্ষতিও হবে না।
আর কাঁচা এলাচ খাওয়া থেকে পুরোপুরি বিরত থাকতে হবে। গলব্লাডার এবং কিডনির সমস্যা আছে যাদের। অনেকে আছেন যাদের অল্প কিছুতেই এলার্জির সমস্যা বেড়ে যায়। যাদের এলার্জি সমস্যা রয়েছে তারা এলাচ খাওয়া থেকে বহু গুনে দূরে থাকুন। এটি গ্রহণের ফলে শ্বাসকষ্টের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে অনেকেরই।
যদিও এটি বলা হয়ে থাকে এলাচ খেলে অ্যাজমারপ্রকোপ কমে। তবে কিছু কিছু কিছু মানুষের শরীর এলাচ কি সহ্য করতে পারেন না। যার ফলে এলাচ খেলে তাদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা আরো বেড়ে যেতে পারে। আবারো অনেকেরই এলাচ খেলে শরীরে চুলকানির মত সমস্যা দেখা দিতে পারে।
এমন উপদ্রব যাদের আছে তারা কাঁচা এলাচ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এবং রান্নায় এলাচ ব্যবহার করলে খুবই কম পরিমাণে ব্যবহার করবেন। তবে যদি শারীরিক কোন ক্ষতির সম্মুখিন হোন তাহলে রান্নায় এলাচো এড়িয়ে চলতে হবে।
আমরা সকলেই জানি গর্ভাবস্থায় অতি বিশেষ অবস্থা। এই সময় কোন ধরনের খাবার খাওয়ার পূর্বে আমাদের সচেতন থাকতে হয়। খাবার খাওয়ার পূর্বে যদি আপনি সচেতন না হন তাহলে গর্ভবতী নারীর গর্ভপাত পর্যন্ত হতে পারে। গর্ভাবস্থায় কাঁচা এলাচ, গর্ভপাতের কারণ। আপনি যদি গর্ভাবস্থায় এলাচ খেতে চান,তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এলাচ খান।
আরও পড়ুন ঃ নিয়মিত কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা ও ক্ষতিকর দিক
এলাচের অনেক উপকার আছে বলে যে অতিরিক্ত এলাচ খাওয়া যাবে তা কিন্তু মোটেও নয়। এই সমস্যা গুলো ছাড়াও অতিরিক্ত পরিমাণে এলাচ খাওয়ার ফলে কারো কারো কাশি, বমি বমি ভাব, বমি ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে। এলাচের স্বাদ ঠান্ডা তাই এটি অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে অতিরিক্ত কাশির পরিমাণও বেড়ে যেতে পারে।
এমন শারীরিক সমস্যা গুলো যাদের হয় অর্থাৎ খাওয়ার পরে বমি হয় কিংবা কাশি ওঠে বা এলাচ খেলে মাথা ঘুরার মত সমস্যা দেখা দেয় তারা এলাচ খাবেন না। আর অতিরিক্ত পরিমাণে তো কখনোই খাবেন না। খেতে হবে একটি অথবা দুটি এর বেশি পরিমাণে নয়।
শেষ কথা ঃ এলাচ খাওয়ার উপকারিতা ও নিয়ম
উপরের কনটেন্টি পুরোপুরি পড়লে আশা করি বুঝতে পেরেছেন এলাস খাওয়ার উপকারিতা ও নিয়ম গুলো সম্পর্কে। আরো জানানোর চেষ্টা করেছি এলাচ কিভাবে হজম প্রক্রিয়াকে ভালো রাখে এলাচের মধ্যে থাকা antimetic property আমাদের শরীরে কি কাজ করে ,
ত্বকের সমস্যা দূর করতে এলাচ কিভাবে সাহায্য করে এবং এলার্ট কিভাবে ব্লাড সুগার মেনটেন করে। ব্লাড প্রেসার ঠিক রাখে ইম্প্রুভ আয়রন লেভেল ঠিক রাখে ইম্প্রুভ হার্ড এর হেলথ ঠিক রাখে। এবং আলোচনা করেছি এলাচ খাওয়ার সঠিক নিয়ম সম্পর্কে
এবং পরিশেষে বলার চেষ্টা করেছি অতিরিক্ত এলাচ খেলে কি কি সমস্যা গুলো হয় আমাদের শরীরে। আশা করি এলাচ খাওয়ার উপকারিতা ও নিয়ম সম্পর্কে যথার্থ ধারণা পেয়েছে। এইরকম আরও নতুন নতুন ইনফরমেটিভ কন্টেন্ট পেতে ভিজিট করুন প্রতিদিন আমাদের ওয়েবসাইট কিছুক্ষণ ডটকম এ।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url