কালোজিরা খাওয়ার উপকারিতা ও নিয়ম

কালোজিরা কে বলা হয়েছে আশীর্বাদ পুস্ট বীজ। কারণ মৃত্যু ছাড়া সকল রোগের প্রতিশোধক রয়েছে এই কালিজিরাই। বর্ধমান চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক ইবনে সিনা বলেছেন : ব্ল্যাক শিট ইজ কিউর মোর  দেন 1oo ডিজিস। 

কালোজিরা-খাওয়ার-উপকারিতা-ও-নিয়ম

আপনি কি কালোজিরা খাওয়ার চিন্তা করছেন কিন্তু কিভাবে খাবেন বুঝতে পারছেন না। তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য পোস্টটি পুরোপুরি পড়লে আপনি বুঝতে পারবেন কালোজিরা খাওয়ার উপকারিতা ও নিয়ম সম্পর্কে। 

সূচিপত্র ঃ কালোজিরা খাওয়ার উপকারিতা ও নিয়ম

কালোজিরা খাওয়ার উপকারিতা ও নিয়ম

কালোজিরা খাওয়ার উপকারিতা ও নিয়ম সম্পর্কে আজকে জানবো।আমরা সাধারণত রান্নার স্বাদ ও সুগন্ধের জন্য কালোজিরা ব্যবহার করে থাকে আলাদাভাবে খাইনা।আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে  কিন্তু মৃত্যু ছাড়া মানব শরীরে আর যে সমস্ত রোগ আছে সমস্ত কিছুর ক্ষেত্রে কালোজিরার মেশিনাল ইফেক্ট আছে। 

অর্থাৎ মানব শরীরে যাবতীয় যে জিনিসগুলো আছে যেগুলোর বিরুদ্ধে কিন্তু কালোজিরা খুব সুন্দর ভাবে কাজ করে। কালোজিরার মধ্যে ভরপুর মাত্রায় থাকে amino acid, healthy fat, vitamin, mineral , vitamin minerals,এবং  antioxidant, সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কালোজিরার মধ্যে একটি

 গুরুত্বপূর্ণ  compound বা phytochemical থাকে। যেটি হল thymoqunone এটি আবার একপ্রকার powerful antioxidant হয়ে থাকে। এই thymounone এর জন্যই আমাদের শরীরে যে রোগ ভোগগুলো  হয়ে থাকে। বা লাইফসের যে ডিজিসগুলো হয়ে থাকে। সেই গুলোর বিরুদ্ধে কালোজিরা খুব সুন্দর ভাবে কাজ করে। 

মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য উন্নতির জন্য কালোজিরা

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে তারা সমস্ত কিছু ভুলে যান অর্থাৎ ভুলে যাওয়ার সমস্যা হতে দেখা যায়। Alzheimer disease বা Parkinson disease এগুলো সাধারণত নার্ভাস  সিস্টেমের গোলযোগের ফলে হয়ে থাকে। তো যাদের ক্ষেত্রে alzeimer disease বা parkinson disease আছে বা হাত পা কাপার সমস্যা আছে, 

আরও পরুনঃ  ভিটামিন ডি এর অভাবজনিত রোগ ও প্রতিকার 

তারা কোন কাজে ফোকাস বা অ্যাটেনশন কে ঠিক করতে পারেন না।সেই সমস্ত ক্ষেত্রে কিন্তু কালোজিরা খুব সুন্দর কাজ দেয়। এক্ষেত্রে করতে হবে কি,( হাফ চামচ মত কালোজিরা পাউডার এক চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে একবার করে খেতে হবে।) এতে কিন্তু ভুলে যাওয়ার সমস্যা বা ব্রেনের যে দুর্বলতা আছে বা অ্যালজাইমার ডিজিজ পার্কিনসন এর যে সমস্যাগুলো আছে এগুলো খুব সুন্দরভাবে দূর হতে দেখা যায়। 

ডায়াবেটিসের জন্য কালোজিরা

 যারা ডায়াবেটিসের রোগী আছেন। যাদের ক্ষেত্রে ব্লাড সুগার খুব বেশি বেড়ে থাকে মেডিসিন নেওয়ার পরেও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ হতে চাই না তাদের জন্য কালোজিরা কিন্তু একপ্রকার মহা ওষুধের মত কাজ করবে। কারণ এর মধ্যে এমন কিছু কম্পাউন্ড পাওয়া যায় যেগুলো আমাদের অন্ত্রের  মধ্যে গ্লুকোজ বা চিনির শোষণটাকে কমিয়ে দেয়। 

কালোজিরা-খাওয়ার-উপকারিতা-ও-নিয়ম

এমনকি ইনসুলিনের মাত্রাকে increase  করে দেয়। যাতে আমাদের রক্তের মধ্যে অতিরিক্ত গ্লুকোজ গুলো আমাদের সেল বা টিস্যু পর্যন্ত পৌঁছে যাই। এমনকি ইন্সুলিন রেজিস্ট্রেনসের মাত্রা কে কমায় । কোষ বা টিস্যুর মধ্যে ইনসুলিনের সেনসিটিভিটিকে বাড়িয়ে দেয়। 

এক্ষেত্রে অর্থাৎ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে (হাফ চামচ মত কালোজিরার তেলকে আপনারা হাফ গ্লাস মত কুসুম গরম পানিতে  মিশিয়ে সেবন করতে পারেন। বা হাফ চামচ কালোজিরার তেলকে এক কাপ লিকার চা যেটা দুধ ছাড়া চা তৈরি করা হয় সেই চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খেতে পারেন।) এতে কিন্তু রক্তের মধ্যে গ্লুকোজের মাত্রা খুব সুন্দর ভাবে কন্ট্রোল হতে দেখা যায়। 

হার্টের রোগীদের জন্য কালোজিরা

এই কালোজিরার মধ্যে এমন কিছু কম্পাউন্ড পাওয়া যায় যেগুলো আমাদের রক্তের মধ্যে যে লিপিডস গুলো থাকে অর্থাৎ cholesterol  triglyceride এগুলোর মাত্রাকে কমাতে সাহায্য করে।এমনকি আমাদের শরীরের রক্তচাপের সমস্যাকে দের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আছে সেটাকে কমাতে যাদের লো প্রেসার আছে সেটাকে বাড়াতে অর্থাৎ রক্তচাপকে সর্বোপরি balance করতে সাহায্য করে। 

উচ্চ রক্তচাপ এর ক্ষেত্রে এবং হাটের স্বার্থের জন্য কালোজিরা সেবনের বা খাওয়ার নিয়ম হল। -( হাফ চামচ মত কালোজিরার তেলকে আপনি এক কাপ মত scheme milk  অর্থাৎ যে দুধের মধ্যে সর থাকবে না। দুধ টাকে দুই থেকে তিনবার মতো ফুটিয়ে উপরে যেই সর গুলো আসবে সেগুলো ফেলে দিয়ে 

তার সঙ্গে হাফ চামচ কালোজিরা তেল মিশিয়া আপনি সেবন করতে পারেন বা পান করতে পারেন বা এক কাপ মত কুসুম গরম পানিতে হাফ চামচ মত কালোজিরা তেল সেটা কেউ আপনি সকালে একবার করে পান করতে পারেন)। এতে কিন্তু হার্টের যেই সমস্যাগুলো আছে সেগুলো সেরে যেতে দেখা যায়। এমনকি উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ হতে দেখা যায়। 

ওজন নিয়ন্ত্রণে কালোজিরা 

জাদের শরীরের ওজন খুব বেশি খাওয়া দাওয়া কন্ট্রোল করার এমনকি মেডিসিন বা এক্সারসাইজ নেয়ার পরেও তাদের ওজন কমছে না সেই সমস্ত ক্ষেত্রে কালোজিরা কিন্তু এক প্রকার মহা ওষুধের মতো কাজ করে। সেই ক্ষেত্রে আপনারা যদি টানা ৩০ দিন নিয়মিত কালোজিরা সেবন করেন সে ক্ষেত্রে দেখবেন

 আপনার চর্বি বা ফ্যাট আস্তে আস্তে কমতে আরম্ভ করছে এবং এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে আপনার শরীর কিন্তু ঝরঝরে হয়ে যাবে শরীরের মেদ কমে যাবে। ওজন কমানোর ক্ষেত্রে কালোজিরা সেবনের নিয়ম হলো-(এক গ্লাস মতো কুসুম গরম পানিতে অর্ধেক পাতিলেবুর রস মিশাবেন  এবং এক চামচ মত মধু দিয়ে তার সঙ্গে হাফ চামচ মত কালোজিরার পাউডার মিশিয়ে 

আরও পরুনঃ  কাঁচা হলুদ খাওয়ার উপকারিতা

ওই এক গ্লাস পানিটাকে প্রতিদিন সকালে একবার করে খালি পেটে পান করতে হবে)।এভাবে টানা অ্যাপ থেকে দেড় মাস যদি পান করেন এই ফর্মুলাতে তাহলে আপনাদের শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট বিশেষ করে শরীরের ভিতর দিকে যে ভিজেরাল ফ্যাট গুলো জমে থাকে অর্থাৎ অঙ্গ প্রত্যঙ্গের সঙ্গে যে ফ্যাট গুলো লেগে থাকে সেগুলো ধীরে ধীরে গলতে আরম্ভ  করে। 

এবং সেই প্যাড গুলো আস্তে আস্তে কিন্তু আমাদের শরীরে এনার্জি প্রদানের কাজ লেগে যাই। আর বাইরের যেই সাবকিউটিনিয়াস     ফ্যাট আছে সেগুলো ধীরে ধীরে কমতে আরম্ভ করে।এমনকি যাদের জয়েন্ট পেন এর সমস্যা আছে, আর্থারাইটিস  আছে, সেই সমস্ত ক্ষেত্রে এমনকি নার্ভের যে ডিজিজ গুলো আছে। 

সেই সমস্ত ক্ষেত্রেও শরীরে যে ব্যথা বেদনা হয় সেই ক্ষেত্রেও আপনি যদি এই কালোজিরার তেলকে সুন্দর করে জয়েন্টের জায়গায় বা ব্যথার জায়গায় তাকাতে পারেন খুব ভালো কাজ হতে দেখা যায়। আপনি যদি জয়েন্ট এর জায়গায় বা ব্যথার জায়গায় বা  প্রদাহের জায়গায় সরিষার তেলের সঙ্গে এই কালোজিরা তেল মিশিয়ে লাগাতে পারেন তাহলে আরো সুন্দর কাজ দেয়। 

এলার্জির সমস্যায় কালোজিরা 

যারা দীর্ঘদিন ধরে  এলার্জি সর্দি কাশির সমস্যায় ভুগছেন এলার্জি অ্যাজমাতে ভুগছেন বা ব্রমকিয়াল কফ সব সময় জমে থাকে সেই সমস্ত সমস্যার ক্ষেত্রে (হাফ চামচ মত কালো জিরার পাউডার এক চামচ মধুর সঙ্গে সুন্দর করে মিশিয়ে প্রতিদিন একবার করে খেয়ে দেখুন টানা 15 থেকে 20 দিন। এই ধরনের সমস্যাগুলো থেকে আপনি অনেকটা মুক্তি পেয়ে যাবেন। 

স্কিন ও চুলের জন্য কালোজিরা

আমাদের চামড়ার স্বাস্থ্যের জন্য, আমাদের  চুলের স্বাস্থ্যের জন্য, যাদের চামড়ার মধ্যে ব্রণ, ফোড়া, ফুসকুড়ি,দাগ ছোপ,এই সমস্যাগুলো লেগেই আছে। স্কিন খসখসে হয়ে যাচ্ছে। বাসকিনের কালার চেঞ্জ হয়ে গেছে। সেই সমস্ত ক্ষেত্রে কালোজিরা সেবন করলে  বা এটাকে ওড়ালি বা এটাকে টপিক্যালি ব্যবহার করতে পারেন সে ক্ষেত্রে কিন্তু খুব সুন্দর কাজ হতে দেখা যায়। 

একটা গোটা লেবুর রসের সঙ্গে হাফ চামচ কালোজিরা পাউডারকে সুন্দর করে মিশিয়ে নিন আপনার যে জায়গায় ডাক্তার হয়েছে ব্রোনো ফোড়া ফুসকুড়ি হয়েছে সে জায়গায় 15 মিনিট মতো লাগিয়ে রাখুন তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। দেখবেন ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যেই এই ধরনের সমস্যা সুন্দর ভাবে সেরে যাবে। 

আরও পরুনঃ  চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা 

বা হাফ চামচ কালোজিরা পাউডারকে আপনি বেসনের সঙ্গে মিশিয়ে কার সঙ্গে আনি  মিশিয়ে একটা পেস্ট তৈরি করে মুখে ব্রনের জায়গায় লাগিয়ে রাখুন ১৫ থেকে কুড়ি মিনিট তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এভাবেও আপনি যদি ছাদ থেকে দশ দিন করে থাকেন সেক্ষেত্রে এই সমস্যাগুলো খুব সহজেই ছেড়ে যেতে দেখা যায়। 

যাদের চুল পেকে যাচ্ছে পড়ে যাচ্ছে, খুশকির সমস্যা আছে বা চুলের গোড়া আলগা হয়ে গেছে, মাথায় স্কেলপের মধ্যে নানা রকম রোগ ভোগ বা ইনফেকশন হচ্ছে, এই সমস্ত ক্ষেত্রে কালোজিরার তেলকে হাতে নিয়ে খুব সুন্দর ভাবে মেসেজ করুন এই সমস্যাগুলো কিন্তু হান্ড্রেড পার্সেন্ট সেরে যাবে। 

দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্যের জন্য কালোজিরা

যাদের মাড়ির দুর্বলতা আছে, গোড়া দিয়ে রক্ত পড়ে, দাঁতের মধ্যে নোংরা জমে গেছে, দাঁতে ব্যথা হয়, দাঁত শির শির করে, এবং মেডিসিন খাওয়ার পরেও এর সমস্যা গুলো সারছে না। তারা (এক চামচ দইয়ের  সঙ্গে হাফ চামচ মত কালো জিরার পাউডারকে সুন্দর করে মিশিয়ে আপনি আঙ্গুলে নিয়ে সেটাকে মাজতে পারেন বা মাড়িগুলোতে সুন্দর করে লাগাতে পারেন, 

আরও পরুনঃ গাজর খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা 

দাঁতে লাগাতে পারেন, কিছুক্ষণ রাখার পর আপনি কুল্লি করে মুখ ধুয়ে নিতে পারেন)। দাঁতের যে সমস্যা আছে শির শিরানি বা ব্যথা বাড়ির যে রোগ আছে, এই রোগ গুলো কিন্তু খুব সুন্দর ভাবে এই দই আর কালোজিরার পাউডারের সঙ্গে মিশিয়ে যে পেজটা আপনি তৈরি করবেন। এটা ব্যবহারের ফলে আপনার দাঁতের সমস্যা গুলো খুব সুন্দর ভাবে সেরে যাবে। 

লিভার এবং কিডনি হেলথ এর জন্য কালোজিরা

আমাদের লিভারের মধ্যে যে টক্সিন জমে লিভার এর মধ্যে যে এনজাইম ভ্যালু গুলো কমে যায় এগুলোকে কমাতে সাহায্য করে কালোজিরা। কালোজিরার মধ্যে এমন কিছু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে বা ফাইটোকেমিক্যাল থাকে যেগুলো লিভার এর মধ্যে যে টক্সিন বা জীবাণু আছে। 

সেগুলোকে খুব সুন্দর ভাবে বের করে দিতে সাহায্য করে। এমন কি লিভারের মধ্যে যেই এক্সট্রা ফ্যাট থাকে সেগুলোকেও ধীরে ধীরে গলাতে সাহায্য করে। কিডনির স্বাস্থ্য কেimprove করতে বা enhance  করতে সাহায্য করে।

নেপ্রনের মধ্যে কোন খারাপি এলে বা দুর্বলতা এলে সেগুলোকে সুন্দর ভাবে ক্লিয়ার করতে সাহায্য করে। কিডনির মধ্যে কোন ফাঙ্কশনাল বা ট্রাকচারাল চেঞ্জ এলে সেগুলো কালোজিরা দূর করে। কারণ এর মধ্যে এন্টি ইনফ্লোমাটরি প্রপার্টি আছে এন্টি ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটি আছে,এমনকি এর মধ্যে ইউনিটি পাওয়ার অর্থাৎ রোগ প্রতিরোধক যে গুণাগুন আছে সেটার জন্য।

শক্তি বৃদ্ধির জন্য কালোজিরা

আমাদের হজম প্রক্রিয়া কেউ উন্নত করেতে সাহায্য করে এই কালোজিরা।আপনি যদি প্রতিদিন সকালে এক কাপ মৃদু উষ্ণ অর্থাৎ উষ্ণ গরম পানিতে হাফ চামচ মত কালোজিরা তেল বা কালোজিরার পাউডার মিশিয়ে প্রতিদিন পান করতে পারেন টানা ১ থেকে দেড় মাস হজম কারক যে রস গুলো আমাদের শরীরে বের হয়  সেগুলো অধিক পরিমাণে বেরোবে।

আরও পরুনঃ মধু খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা এবং সঠিক নিয়ম 

এমনকি আমাদের প্যানকিয়াস থেকে যে প্যানকিয়াটিক জুসগুলো বের হয় সেগুলো ক্লিয়ারলি বেরোবে। আমাদের খাবার-দাবার খুব সুন্দরভাবে হজম হবে। এমনকি  আমাদের  constipation এর সমস্যা বা কষ্ট কাঠিন্যের সমস্যাও ১০০% সেরে যাবে এই কালোজিরার তেল বা পাউডার সেবনের ফলে। 

যারা কালোজিরা সেবন করতে পারবেন না

১৫ বছরের নিচে যাদের বয়স আছে তারা কিন্তু কালোজিরা খেতে পারবে না বা সেবন করতে পারবেনা বা এর তেলটাকেও তারা নিতে পারবে না। যাদের কোনরকম ওটি হবে বা অপারেশন হবে  বা কোনরকম প্রনিক ডিজিসে ভুগছেন। সেই সমস্ত ক্ষেত্রে কিন্তু কালোজিরা দেয়া যাবে না। 

কালোজিরা-খাওয়ার-উপকারিতা-ও-নিয়ম

যারা বেস্ট ফিডিং মাদার আছেন, যারা প্রেগনেন্সি আছে, তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু কালোজিরা দেয়া যাবে না। কালোজিরা যদি আপনার জন্য এলার্জিটিক হয়ে থাকে। কালোজিরা সেবনের পরে আপনার যদি এলার্জি হয়। সেই সমস্ত ক্ষেত্রেও কিন্তু আপনি ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কালোজিরা সেবন করবেন না।

শেষ কথাঃ কালোজিরা খাওয়ার উপকারিতা ও নিয়ম

উপরের পোস্টটি পুরোপুরি পড়লে আশা করি বুঝতে পেরেছেন কালিজেরা খাওয়ার উপকারিতা ও নিয়ম সম্পর্কে। আরও জানানোর চেষ্টা করেছি মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য উন্নতি কিভাবে করে কালোজিরা এবং ডায়াবেটিস থেকে রক্ষা পেতে কারিজীরার ব্যবহার। হার্টের রোগীদের জন্য কালোজিরা ,

কিভাবে কালিজিরা ওজন নিয়ন্ত্রণ করে এবং এলার্জি সমস্যা দূর করে।আরো জানাতে চেষ্টা করেছি স্ক্রিন ও চুলের যত্ন কিভাবে নেয় কালিজিরা এবং দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্যের উন্নতি করে কিভাবে কালোজিরা। লিভার এবং কিডনির হেলথ ঠিক রাখতে কিভাবে কাজ করে

এবং কারা কালিজিরা সেবন করতে পারবে না সে সম্পর্কেও আলোচনা করেছি। আশা করি কারো উপকারিতা ও নিয়ম সম্পর্কে আপনাদের কোন সন্দেহ নেই। যদি পোস্টটি পুরোপুরি পড়ে থাকেন এরকম আরো ইনফরমেটিভ পোস্ট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট কিছুক্ষণ ডটকম এ।

 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url