বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর সব থেকে ডিমান্ডেবল সেক্টর কোনটি
বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং টাকা ইনকামের একটি বেস্ট প্ল্যাটফর্ম। আপনি কি ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করতে চান কিন্তু ডিসিশন নিতে পারছেন না কোন সেক্টরে কাজ করবেন।
কোন সেক্টরে কাজ করে আপনি নিজেকে এগিয়ে নিতে পারবেন সামনের দিকে। আসুন তাহলে আমরা জেনে নিই বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর ডিমান্ডেবল সেক্টর কোনটি।
সূচিপত্রঃ বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর সব থেকে ডিমান্ডেবল সেক্টর কোনটি
- বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর সব থেকে ডিমান্ডেবল সেক্টর কোনটি
- ডিজিটাল মার্কেটিং
- ভিডিও এডিটিং
- গ্রাফিক্স ডিজাইন
- ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
- ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ হচ্ছে, ডাটা এন্ট্রি ওয়ার্ক
- শেষকথা
বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর সব থেকে ডিমান্ডেবল সেক্টর কোনটি
বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর সব থেকে ডিমান্ডেবল সেক্টর নিয়ে কিছু কথা
বলব।ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে যাচ্ছেন কিন্তু বুঝতে পারছেন না কোন স্কিল টা অর্জন
করলে ফ্রিল্যান্সিং এর বেস্ট ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন। প্লাস বিগ অ্যামাউন্ট আর্ন
করতে পারবেন।
তাই এখানে পাঁচটি সেক্টর স্কিল নিয়ে আলোচনা করা হবে। সেগুলোর চাহিদা এই
মুহূর্তে অনেক বেশি এবং সারা বিশ্ব জুড়ে রয়েছে। তাই আপনি যদি এই পাঁচটার কোন
একটা স্কিল অর্জন করে।
যদি আপনি ফ্রিল্যান্সিং করেন। তাহলে আপনি বিগ অ্যামাউন্ট আর্ন করতে পারবেন
ফ্রিল্যান্সিং এর মার্কেট থেকে।
ডিজিটাল মার্কেটিং
এই মুহূর্তে ফ্রিল্যান্সিং এর সব থেকে ডিমান্ডেবল সেক্টর ডিজিটাল
মার্কেটিং। আর এই ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে কিন্তু কিছু সাব ক্যাটাগরি
রয়েছে।যেমন:
- S.E.Oরয়েছে।
- কনটেন্ট মেকিং রয়েছে।
- Affiliate marketing অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং রয়েছে।
- social media marketing সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং রয়েছে।
- P.P.Cরয়েছে অর্থাৎ প্রে পার ক্লিক।
এছাড়াও কিন্তু আরো বেশ কিছু সাব ক্যাটাগরি রয়েছে। এখানে মেন গুলো নিয়ে
আলোচনা করা হলো।
S.E.O
এস. ই. ও. এর মানে হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অফটিমাইজেশন search engine
optimization অর্থাৎ আপনার ক্লাইন্টের ওয়েবসাইট রয়েছে যেমন মনে
করেন।কম্পিউটার বিক্রি করে বা রিলেটেড কোন এক্সেসরিজ বিক্রি করে। এখন কেউ
একজন,গুগলে গিয়ে এই রিলেটেড কোন একটা জিনিস সার্চ করল।
কিন্তু দেখা গেল যে আপনার যে ক্লাইন্ট রয়েছে তার কিন্তু ওয়েবসাইট টা সামনে
আসছে না। সেটা অনেক পরে আসছে।এখন তাকে যদি প্রোডাক্ট সেল করতে হয়। তাহলে
অবশ্যই ওয়েবসাইট টাকে তাকে একদম সামনে নিয়ে আসতে হবে। মিনিমাম টপ ফাইভ অথবা
টপ টেনে নিয়ে আসতে হবে।
আরও পরুনঃ সৌন্দর্য ধরে রাখতে প্রতিদিন ত্বকের যত্ন
সো এই ক্ষেত্রে আপনাকে সেই কাজটা করতে হবে। S.E.Oকরে এই লেন্ডিং পেজটাকে
উপরের দিকে এনে দিতে হবে। এটাই হচ্ছে S.E.Oশুধু যে ল্যান্ডিং পেজটাকে উপরের
দিকে নিয়ে আসা এই s.e.o বিষয় কিন্তু সেরকম না।
s.e.oকিন্তু আরও অনেক ব্যাপার স্যাপার রয়েছে।
সেটা আপনার ভিডিওর ক্ষেত্রে s.e.o করতে পারবেন বা আরো অন্য অনেক জায়গায়
কিন্তু আপনারা s.e.o করতে পারবেন। S.e.o চাহিদা কিন্তু ওয়ার্ল্ড ওয়েট
ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে এখন অনেক বেশি। আপনারা চাইলে এই s.e.o শিখতে
পারেন।
content making
কনটেন্ট মেকিং টা অনেক ধরনের হতে পারে। জাস্ট আপনাদেরকে একটু করে ছোট করে
উদাহরণ দিই। তাহলে আপনারা একটা আইডিয়া পাবেন। ধরেন আপনার একটা প্রোডাক্ট
রয়েছে সেটা আপনাকে মার্কেট সেল করতে হবে।তাই আগে যে বিষয় ছিল এখন কিন্তু আর
সেই বিষয়গুলো নেই।
যে আপনাকে করতে হলে সেই প্রোডাক্ট এর জন্য ভালো কোন তৈরি করতে হবে। এবং এই
ভিডিওটা বিভিন্ন জায়গায় পাবলিস্ট করে লোকজনের সামনে আসলে প্রচার প্রচলনা
দিয়েই কিন্তু আপনার এই প্রোডাক্ট সেল করতে হবে।
এটা কন্টেন মেকিং এর অনলি ওয়ান একটা এক্সাম্পুল মাত্র।এছাড়াও কিন্তু
কনটেন্ট মেকিং এর আরো হাজার হাজার লিস্ট রয়েছে। যেগুলোতে এক্সপার্ট হয়ে
কিন্তু আপনারা অনলাইন থেকে আয় করতে পারেন।
affiliate marketing
এই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে অনেকেরই ধারণা আছে। মনে করেন আপনার হাতে
কোন ওয়েবসাইট নেই বা আপনার কোন প্রতিষ্ঠান নেই। বাট আপনি প্রোডাক্ট সেল করে
কমিশন নিয়ে কিন্তু ইনকাম করতে পারেন।একটা ধারণা দিয়ে আপনাদের শুধু বলি -মনে
করেন -aliexpress আলী এক্সপ্রেস, বাংলাদেশের daraj
দারাজ বা Amazon আমাজান,
এই ধরনের বড় বড় সাইটগুলো কিন্তু অ্যাফিলিয়েট দিয়ে থাকে। সো আপনি একটা
অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম তাদের কাছ থেকে নিলেন। নেয়ার পর দেখা গেল যে আপনি
তাদের প্রোডাক্ট কে সেল করার চেষ্টা করছেন বা সেল করে দিচ্ছেন। আপনি
বিভিন্ন ভাবে সেল করে দিচ্ছেন। কিন্তু আপনি একটা কমিশন পাচ্ছেন। আর এই কমিশন
টাই আপনার প্রফিট।
আর এটাকেই বলে মূলত অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।এইটারও কিন্তু ডে বাই ডে চাহিদা
বাড়ছে। যেহেতু এখন আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি অনলাইনে প্রোডাক্ট কিনে থাকি। সো
সেই ক্ষেত্রে কিন্তু ডে বাই ডে এই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর চাহিদাটা ও
বাড়ছে। আপনি চাইলে এই এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে কিন্তু নিজের ক্যারিয়ার গড়তে
পারেন।
social media marketing
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং অনেকটা হচ্ছে কনটেন্ট মেকিং অনেকটা এরকমই। মনে
করেন আপনি একটা কনটেন্ট মেক করে আপনি ফেসবুকে দিলেন। দিয়ে ওই খানে হচ্ছে
বোস্ট করলেন। বা হচ্ছে নরমালি এইখানে সাবমিট করে, আপনি দেখা যাচ্ছে অর্গানিক
ভিউ থেকে অনেকগুলো ভিউ পেলেন ভিউ থেকে দেখা গেল আপনার অনেকগুলো প্রোডাক্ট সেল
হচ্ছে।
আবার দেখা গেল যে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর মধ্যে অনেক কিছু ব্যাপার
স্যাপার আছে।অনেকেই লাইভে এসে প্রোডাক্ট সেল করছে। আবার দেখা গেল যে, কোন একটা
সুন্দর করেএকটা ছবি বা ডিজাইন করল। এবং স্পেসিভিকেশন গুলো বর্ণনা করেসে
একটা ফেসবুকে বোস্ট করলো বা ইনিস্ট্রাগ্রামে বোস্ট করলো বা হচ্ছে দেখা গেল যে
এটা ইউটিউবে একটা ভিডিও আকারে লিস্ট করলো বা একটা ছবি আকারে পোস্ট করল।
এই পোস্ট গুলোর মাধ্যমেই তাদের যে প্রোডাক্টগুলো সেল হবে। এটা হচ্ছে
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর কিন্তু আরো অনেকগুলো
হয়ে ওয়ে আছে। সবগুলোই করা সম্ভব না। তাই একটু করে সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিলাম। আর
এই সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করেও কিন্তু আপনারা ফ্রিল্যান্সিং এর করতে
পারেন।
P.P.C
অর্থাৎ প্রে. পার. ক্লিক. এই জিনিসটা আসলে কি এক্সাম্পুল হিসেবে বলতে
পারি।যেমন একটা ফোন আমি কিনব। samsung galaxy S 23 Ultra এটা আমি কিনবো। তাই
আমি লিখলাম যে Samsung Galaxy S 23 Ultra hornbd BD বা বাংলাদেশ। লিখার
পর দেখা গেল যে অনেকগুলো চলে আসবে।
তাই গুগল কিন্তু আমার অনেকগুলো ওয়েবসাইট সো করবে। এর মধ্যে একটা
এ্যাড শো করবে একদম উপরের দিকে। সো এই অ্যাডটা যদি কেউ দেই এই
অ্যাডটা যদি কেউ শো করায় এইখানে। আর এই অ্যাডে যদি আমি ক্লিক করি এবং klayer
টাতে যদি আমি ওয়েবসাইটে যদি চলে যাই। তাহলে কিন্তু google একটা টাকা
কেটে নিয়ে যাবে।
এবং যে ব্যাক্তি এ্যাডটা দিয়েছে তার এখান থেকে টাকাটা কিন্তু কেটে
নেওয়া হবে। তাই এটাও কিন্তু একটা মার্কেটিং পলিসি তাইএই মার্কেটিং
পলিসির মাধ্যমে কিন্তু অনেকেই প্রোডাক্ট সেল করছে। আর এটাকে বলা হয়
P.P.C সো এখানেও কিন্তু ভালো একটা ক্যারিয়ার রয়েছে। বিশেষ করে বলতে
পারেন যে ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটা বড় একটা অংশ এটা।
ভিডিও এডিটিং
এটার চাহিদা কিন্তু ওয়ার্ল্ড ওয়েট অনেক বেশি ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে।
বর্তমানে আমাদের দেশে যেই টিভি চ্যানেলগুলো রয়েছে স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল
তাদের কিন্তু স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলের পাশাপাশি কিন্তু তারা সোশ্যাল মিডিয়ার
কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। যে কারণে তাদের কিন্তু ভিউজ পরিমাণে ইডিটরের
দরকার হয়।
আরও পরুনঃ ব্রণ কমান খুব সহজে নিয়মগুলো ফলো করুন
এছাড়াও ব্যক্তি পরিচয় এ অনেক বেশি পরিমাণে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কিন্তু বর্তমানে
আছে।
তাদের প্রত্যেকেরই কিন্তু ভিডিও এডিটরের দরকার হয়। তাই আপনি কিন্তু এই
জায়গাটায় নিজের ক্যারিয়ার গড়তে পারেন ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে। সো এইখানে
কিন্তু হিউজ ডিমান্ড রয়েছে।
পাশাপাশি এইখানে থেকে একটা বিগ এমাউন্ট আর্ন করার কিন্তু সুযোগ থাকছে।
আরেকটা কথা এখানে আপনাদেরকে বলি। যাদের হচ্ছে ইংলিশে দক্ষতা কম তারা কিন্তু
ভিডিও ইডিটিং শিখে ফিজিক্যালি কাজও করতে পারেন। যদি চান ভিডিও ইডিটর হিসাবে
ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে নিজেদেরকে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন।
গ্রাফিক্স ডিজাইন
যেটার চাহিদা কিন্তু ছিল আছে এবং আশা করছি আগামী ১০-১৫ বছর স্টিল নাউ এটার
চাহিদা কিন্তু ওয়ার্ল্ড ওয়েট থাকবে। এখানে অনেকেই বলতে পারেন A.I
আসার পর আসলে গ্রাফিক্স ডিজাইনের খুব কি দরকার আছে কিনা। আসলে A.I
এখন পর্যন্ত মানুষের মত ততটা বুদ্ধিসম্পন্ন হয়নি যে একটা মানুষের মানসিকতা
বুঝতে পারবে।
তাই একজনের রুচি এক এক রকমের। আর সেটা কিন্তু আপনার A.I এখন পর্যন্ত
বুঝতে পারছে না।
সোএই গ্রাফিক ডিজাইনের চাহিদাটা আশা করছি আগামী আরো ১০-১৫ বছর
থাকবে।
তাই আপনারা যদি অনলাইনে যদি ক্যারিয়ার গড়তে চানএইটাকেও আপনারা চুজ করতে
পারেন।
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
আসলে এইটার চাহিদা ওয়ার্ল্ড ওয়েট কিন্তু অনেক বেশি রয়েছে। বিশেষ করে যদি
আপনি ওয়েব ডেভেলপিংটা যদি আপনি ভাল করে শিখে আপনি যদি এইখানে ফ্রিল্যান্সিং
করতে পারেন।
তাহলে হিউজ আপনি কাজ পাবেন। ছোটখাটো কাজ নয় বেশ বড় বড় কাজই ওয়েব
ডেভেলপমেন্টে আপনি পাবেন।
তারপর আরেকটি বিষয় রয়েছে, অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট। এখন কিন্তু এইটার
চাহিদাও দিন দিন বাড়ছে। এবং এইটার ফিউচারটা কিন্তু অনেক বেশি ব্রাইট। তাই আপনি
যদি মনে করেন যে ফ্রিল্যান্সিংয়ে খুব ভালো একটা ক্যারিয়ার এর জন্য কোন
একটা সাবজেক্ট চুজ করবেন তাহলে আপনি অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট টা মাস্ট বি চুজ করতে
পারেন।
ফ্রিল্যান্সিং এর আরেকটা কাজ ডাটা এন্ট্রি ওয়ার্ক
ফ্রিল্যান্সিংয়ের এটা কাজ হচ্ছে ডাটা এন্ট্রি। এই কাজটি করা কিন্তু খুবই সহজ।
কিন্তু এইটারও কিন্তু ওয়ার্ল্ড ওয়াইড একটা বেশ চাহিদা রয়েছে। আশা করছি বেশ
কয়েক বছর এইটারও চাহিদা থাকবে।
তাই আপনি যদি চান যে এই সহজ কাজটা শিখে আপনি। এ্যাপডভাইভার বা এই ধরনের যে বিগ
প্লাটফর্ম গুলো রয়েছে।
সেই খান থেকে আপনি কাজ করে টাকা ইনকাম করবেন তাহলে কিন্তু এই ডাটা এন্ট্রি টাকে
আপনি মাস্ট বিট চুজ লিস্টে রাখতে পারেন। আমি আগে কিন্তু যেই স্কিল গুলো নিয়ে
কথা বলেছি সেগুলো কিন্তু একটু ডিফিকাল্ট। কিন্তু আপনার কাছে যদি মনে হয় ইজি
কিছু একটা দরকার।
তাহলে কিন্তু আপনি এই ডাটা এন্ট্রি কাজটি শিখে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করে দিতে
পারেন। যে বিষয়গুলো নিয়ে এইখানে কথা বলা হয়েছে। সেই বিষয়গুলোর মধ্যে থেকে
যদি কোন একটা বিষয় আপনি প্রোপারস স্কিল অর্জন করে আপনি ফ্রিল্যান্সিংয়ে
একাউন্ট ক্রিয়েট করে,যদি আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করে দিতে পারেন।
আই হোপ আপনি ভালো এমাউন্ট ইনকাম করতে পারবেন।এবং এই গুলোর চাহিদা কিন্তু বেশ
কয়েক বছর থেকে যাবে।তারপরেও এই ইস্কীল গুলোর মধ্যে থেকে কোনটা আপনাদের
ভালো লাগে সেটা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আপনারা কাজগুলো শুরু করতে পারেন।এই
কাজগুলো করে আপনারা অবশ্যই ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে একটা ভালো এমাউন্ট
পারবেন।
শেষ কথাঃ বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর সব থেকে ডিমান্ডেবল সেক্টর কোনটি
আশা করি বুঝতে পেরেছেন বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর সব থেকে ডিমান্ডেবল সেক্টর
ডিজিটাল মার্কেটিং এর সম্পর্কে। চেষ্টা করেছি ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে
কিছু তথ্য আপনাদের সামনে তুলে ধরার। আশা করি এই পোস্টটি পড়ে আপনি উপকৃত
হবেন।
ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে আরো জানতে এবং ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করতে এবং এই
সেক্টর সম্পর্কে আরো নতুন কিছু আপডেট পেতে আমাদের সঙ্গে থাকুন। চোখ রাখুন
আমাদের ওয়েবসাইট কিছুক্ষণ ডট কম এ।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url